চুক্তি ছাড়া বিদেশে শ্রমিক গেলে নির্যাতনের শিকার হয়

টুডে সংবাদ ডেস্ক : কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়া শুধু সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বক্তারা বিদেশ যাওয়া নারী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ ২১ দিনের বেশি করানোর সুপারিশ করেন। এছাড়াও সরকারকে শক্ত অবস্থানে থেকে গন্তব্য দেশের সঙ্গে চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ওয়্যারবি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি মিলনায়তনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে অভিবাসী নারী শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় সমালোচনা করেন বক্তারা।
শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে শ্রমিক যায়। তবে চুক্তি না থাকায় শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় না। নির্যাতিত হলেও তার কোনো বিচার পান না। এক্ষেত্রে জনগণকেও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় বোমসা’র পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নারী শ্রমিকের যে ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়েছে, তা অর্জনের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মপন্থা তৈরি করতে হবে। কাজ করতে হবে সবাইকে সমন্বয় করে।
তিনি বলেন, যে দেশে আমাদের শ্রমিক যাচ্ছে, তাদের বিদেশি শ্রমিকের বরাদ্দ জানতে হবে, নীতি সম্পর্কে জানতে হবে। সরকারকে এ  ক্ষেত্রে রাখতে হবে মুখ্য ভূমিকা।
জাতীয় গার্হস্থ্য নারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদা আক্তার বলেন, গৃহশ্রমিকদের জন্য যে নীতিমালা হয়েছে, তার বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তপতী রায় বলেন, শ্রমিকরা নির্যাতিত হলেও মামলা অনেক সময় সমঝোতার মাধ্যমে শেষ হয়ে যায়। অনেক সময় প্রশিক্ষণ ছাড়াই দালালরা শ্রমিকদের বিদেশে পাঠাচ্ছে।
ওয়্যারবি  ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যন সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পুলক রঞ্জন ধর, ওয়্যরবির সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, ওকাপের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ। ফোকাস বাংলা।

– See more at: http://www.ittefaq.com.bd/capital/2016/03/15/59768.html#sthash.fqEV9VDv.dpuf

(টুডে সংবাদ/তমাল)

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে www.todaysangbad.com