‘শহিদুলের ক্যামেরায় ধারণ হয় ষড়যন্ত্র’

মিজানুর রহমান রানা : আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ফটোগ্রাফার। পরিচয় কি শুধুই দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ফটোগ্রাফার? মোটেও নয়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের করা আন্দোলনের মধ্যে উসকানিমূলক মিথ্যা বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় তিনি রিমান্ডে আছেন।

আমি তাকে চিনি হেফাজতের উপদেষ্টা ফরহাদ মজহারের সহচর হিসেবে। শাহবাগ আন্দোলনের তরুণদের নাস্তিক ট্যাগকারী হিসেবে। আমি তাকে দেখি যুদ্ধাপরাধের বিচার বিরোধী ডেভিড বার্গম্যানের বন্ধু হিসেবে। আমি তাকে চিনি খালেদা জিয়ার ফটোগ্রাফার হিসেবে। ফিল্মমেকার হিসেবেও চিনি। কিন্তু এমন ফিল্মমেকার, যার ফিল্মে জিয়াউর রহমানের দুটো ভুয়া কণ্ঠস্বর যুক্ত করে বঙ্গবন্ধুর বদলে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দেখাতে চান।

কোটা আন্দোলনের সময় সচেতন জনগণ তার স্ত্রী অধ্যাপিকা রেহনুমা আহমেদকে আরেকবার চিনেছে। ২০১৪ সালে যখন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের আদালত অবমাননার দায়ে সাজা হয় তখন যে ৫০ জন জামাতপন্থী বুদ্ধিজীবী বিবৃতি দিয়েছিলেন তাদের একজন এই রেহনুমা আহমেদ।

রেহনুমার মামা শীর্ষ রাজাকার খান এ সবুর সম্পর্কে এ প্রজন্ম আবার জেনেছে। যারা এখনো জানে না তাদের জন্য গুগল উইকিপিডিয়া আছে। এত ষড়যন্ত্রের পরও এরা আবার আল জাজিরা কানেকশনের নেপথ্যে যাচ্ছে। তাদের লাগাম ধরাটা আমি অন্যায় মনে করি না। তাদের বাক-স্বাধীনতা দাবির অর্থ এ নয় যে, তাদের প্রতিনিয়ত দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র আমরা মেনে নেব না।

লেখক: সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ