ফরিদপুর থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত চার লেন

মোঃ বিল্লাল হোসেন (রিপোটার) : দেশ-বিদেশের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষনের সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, বিশাল সাগরের সান্নিধ্রে সৃর্যাস্ত সূর্যোদয়ে একান্তে সময় কাটাতে যাওয়া পর্যটকদের যাত্রা আরম্ভ সহজ ও নিবিগ্ন করতে এবং ঢাকাসহ মধ্য – পূর্বাঞ্চল ও উওরাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্তার উন্নয়নে ফরিদপুর থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেনে রূপ দেওয়ার মহাপরিকল্পনা নিয়ছে সরকার দীর্ঘ এ ২৩৬ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানবাহনের পাশাপাশি সাধান মানুষের জন্য ও থাকবে আলাদা সার্ভিস লেন। এ পরিকল্পনারই অংশ হিসাবে ফরিদপুর ভাঙ্গা বরিশাল পটুয়াখালী কুয়াকাটা জাতীয় মহাসড়ক ফোরলেন উনœিতকরনের জন্য ভূমি অধিগ্রহন শীষক একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্ততরের গৃহীত এ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা(ডিপিপি) পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। তারা প্রকল্প মুল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় একটি অনুমোদন দিলে চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চলে যাবে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক)।২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুন মেয়াদী এ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৯৯ কোটি ২২ লখ টাকা। অধিগ্রহন হবে ৩০২ দশমিক ৭০ একর ভূমি। ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গা, বরিশাল ও পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় এ ভুমি অধিগ্রহন করা হলে পরবতীতে বৈদেশিক সহায়তা অথবা সরকারি অর্থায়নের চার লেন নির্মান সম্পন্ন হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাটুরিয়া দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে ফরিদপুরের ওপর দিয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত যাতায়াত করে ঢাকাসহ মধ্যে পূর্বাঞ্চলের যাত্রীরা। আর যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু এবং পদ্দার ওপর লালন শাহ সেতুর ফলে দেশের উওরাঞ্চলের মানুষেও কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী দিয়ে এসে ফরিদপুর বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত যাতায়াত করে। সেজন্য ফরিদ পুর জেলা সদর থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৩২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এবং ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যন্ত ২০৪ দশমিক ২৪ কিলোমিটার মহাসড়কের গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই সরকার এই মহাসড়ক চার লেনে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে যানবাহন ও মালামাল পরিবহনের যাত্রা নির্বিঘœ হয়। এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের উপ প্রধান (সড়ক পরিবহন উইং) এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে সওজ। আমরা তাদের প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করে দেখছি। দ্রত সময়ের মধ্যেই আমরা পিইসি (প্রকল্প মৃল্যয়ন কমিটি) সভার ডেট দেবো। ভূমি অধিগ্রহনের ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে মেটানো হবে। এই কাজটি হয়ে গেলে ফোর লেন নির্মানে বৈদিশিক সহায়তা নেওয়া হবে। কামরুজ্জামান মনে করেন এই সড়কটি চার লেন হয়ে গেলে এক কথায় উওরবঙ্গ, যশোর ও ফরিদপুরের সঙ্গে বরিশাল ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন উন্নয়ন ও পর্যটন স্পট কুয়াকাটার সরাসরি ও নিবিঘর্œ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।