হাইতিতে কলেরা বিস্তারে ক্ষমা চাইলেন বান কি মুন

41

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হাইতিতে প্রাণঘাতী কলেরা প্রাদুর্ভাবে জাতিসংঘের ভূমিকার ব্যাপারে প্রথমবারের মতো দেশটির জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বিশ্ব সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুন।
বিবিসি বলছে, ২০১০ সালে নেপালি শান্তিরক্ষীদের মাধ্যমে হাইতিতে কলেরা ছড়ায়। এর আগ পর্যন্ত দেশটি কলেরামুক্ত ছিল।
ওই সময় থেকে ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট এই রোগে দেশটিতে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
অবশ্য কলেরা ছড়িয়ে পড়া রোধে জাতিসংঘের ব্যর্থতার জন্য বান কি মুন ক্ষমা চেয়েছেন, ক্যারিবীয় জাতিটির মাঝে শান্তিরক্ষীদের মাধ্যমে এই রোগ বাহিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষমা চাননি তিনি।
বান কি মুন বলেন, “জাতিসংঘের পক্ষে আমি পরিষ্কারভবে জানাতে চাই, আমরা হাইতির জনগণের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।”
তিনি বলেন, “হাইতিতে কলেরা প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে যতটুকু করা প্রয়োজন ছিল তা আমরা করিনি। আমরা আন্তরিকভাবে আমাদের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাই।”
২০১০ সালে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে পয়ঃনিষ্কাষণ লাইনের মাধ্যমে হাইতিতে কলেরা মহামারি ছড়িয়ে পড়ে।
দেশটি ২০১০ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
হাইতিতে কলেরা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় জাতিসংঘ দীর্ঘসময় ধরেই তাদের কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে আসছিল।
তবে জাতিসংঘ ক্ষমা চাইলেও ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে আইনি দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। সংস্থাটি বলছে, কূটনৈতিক ছাড় আইনের দ্বারা সুরক্ষিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না সংস্থাটির ।

(টুডে সংবাদ/মেহেদী)

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে www.todaysangbad.com