সুনামগঞ্জ সীমান্তে চোরাচালানিদের অপ্রতিরোদ্ধ দৌরাত্ব, অন্ধ প্রশাসন

000000000

সুনামগঞ্জ (তাহিরপুর) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ট্যাকেরঘাট বড়ুংগাছড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে রাজ্বস ফাঁকি দিয়ে চুনাপাথর পাচার করছে অবৈধ ব্যবসায়ী একটি চক্র|
বিশেষ তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে
জানাগেছে,গত ১ মাস যাবৎ লক্ষ লক্ষ
টাকা রাজ্বস ফাঁকি দিয়ে ভারত
থেকে লামানো অবৈধ চুনাপাথর
পাচার করছে স্বার্থনেশি
চুরাচালানিদের একটি চক্র|
চুরাচালানি চক্রটিকে মদদ দিচ্ছে
ট্যাকেরঘাট সীমান্তের পুলিশ,
বিজিবি সোর্স পরিচয়দারি আক্কল
মিয়া,তার সহোদয় সিদ্দিক ও মরা
সিদ্দিক।তারা পুলিশ বিজিবি সোর্স
পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে
রাজকীয় হালে চলছে যা তাদের
পেশা বলেই স্থানীয়রা জানে|
এদিকে দিনে ও রাত বে-রাতে
চুরাচালানিরা চুরাই পথে
ট্যাকেরঘাটের বুড়ুংগাছড়া সীমান্ত
দিয়ে অবৈধ ভাবে লামানো
চুনাপাথর তাৎক্ষনিক ভাবে রাত ও
দিনে ট্রলি গাড়ি করে বুড়ৃংগাছড়া
হতে মেইন রোড দিয়ে
জয়বাংলা বাজারের সম্মুখ হয়ে
ট্যাকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের
পিছনের কয়লা রোড দিয়ে
ট্যাকেরঘাট নৌকাঘাটে অবৈধ
চুনাপাথর নিয়ে যাওয়া হয় এবং
সেখান থেকে অবৈধ চুনাপাথর বিক্রয়
করা হয় যা পরবর্তীতে বালিয়াঘাট
বিজিবি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে
বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হয়।এখান
থেকে বোঝা যাচ্ছে ” রক্ষকেই যে
আসলে বক্ষক” হয়েগেছে|সল্প মূল্য পাথর
পাওয়ার আশায় স্বার্থনেশি চুরাচালানি ও
অবৈধ ব্যাবসায়ীরা অসচ্ছল সহজ সরল
সোজা ব্যাক্তিদের মাধ্যেমে হেমার
শাবল হাতে দিয়ে টাকার প্রলোবন
দেখিয়ে ভারত থেকে চুনাপাথর চুরি
করতে বাধ্য করছে।
নাম প্রকাশ না শর্তে , এক পাথর শ্রমিক
জানায়,আমাকে মরা সিদ্দিক চুরি করে চুনাপাথর আনার জন্য ২ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছে|যা আমাকে চুনাপাথর দিয়ে পরিশোধ করতে হবে|
উক্ত সীমান্তটি দিয়ে চুনাপাথর
পাচারের সাথে সাথে চলছে মরন
নেশা বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচারের অরেক জমকালো বাজার যে কারনে এলাকাটির যুবসমাজ বর্তমানে ধংসের মুখে|
এই সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের
“মরন নেশা যুবসমাজের সর্বনাশা’ মাদক
দ্রব্য চুনাপাথর সাথে পাচার করা হয় এবং
বাংলাদেশ থেকে এসবের বিনিময়ে
পাচার করা হয় মাছ,মাংস,দুধ,ডি
ম,শাক,সবজি,ভোজ্য তেল,সিম। ভারতে
থেকে পাচারকৃত মরন নেশা পরবর্তীতে
মাদক ব্যাবসায়ি সেন্ডিকেটের
মাধ্যেমে শহর অঞ্চলে ছরিয়ে পড়ছে বিদায় আসল মাদক ব্যবসায়ীরা আইনশৃঙখলা বাহিনীর ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে।
বর্তমানে এই সীমান্তটি দিয়ে অবৈধ
ব্যাবসায়িদের উৎপাৎ বন্ধে যেন
দেখার কেউ নেই|
অনুসন্ধানি বিশেষ তথ্য সূত্রে জানাগেছে,রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে লামানো প্রতি গাড়ি চুনাপাথর থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে পুলিশ বিজিবির সোর্স পরিচয়ে অাক্কল মিয়া,তার সহদোয় সিদ্দিক
মিয়া ও মরা সিদ্দিক|
এই বিষয়ে কয়লা ও পাথর আমদানি কারক
সূত্রে জানায়,রাতেই বেশির ভাগ
চুরাই পাথর পাচার করা হয়।
সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়,
ট্যাকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্প থেকে ১৫ মিনিট হেটে পূর্ব দিকে গেলে বুড়ুংগাছড়া
বাংগারঘাট কুয়ারীর পূর্ব দিকে এবং
মহিলা মেম্বার সখিনা বেগমের
বাড়ির উওর দিকে বাড়ির পিছন দিয়ে
ভারত থেকে অবৈধ ভাবে লামানো
চুরাই চুনাপাথর ৫ টি ট্রলিগাড়ি করে
জয়বাংলা বাজার হয়ে ট্যাকেরঘাট
বিজিবি ক্যাম্পের পিছন দিয়ে কয়লা রোডে
ট্যাকেরঘাট নৌকাঘাটে নিয়ে
বিক্রয় হয় এবং পরবর্তীতে বালিয়াঘাট
বিজিবি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে সেই
পাথর নৌযোগে বিভিন্ন জায়গায়
পাচার হয়|
উল্লেখ্য বিডিলাইভের
তথ্যমতে,১৭/০১/২০১৬ তারিখে হারুন
নামের এক ব্যাক্ত উক্ত সীমান্ত দিয়ে
চুরাই পাথর পাচার করতে গিয়ে
ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী
বি.এস.এফের দাওয়া কেয়ে পালানোর
সময় পাথরে পা পিচলে গুরুতর আহত
হয়েছিল বর্তমানে সে পঙ্গু হয়ে
আছে তাকে বর্তমানে দেখার মত কেউ
নেই|
চুরাচালানিদের মুলহোতা আক্কল মিয়া
ও সিদ্দিক মিয়ার সাথে মুঠোফোনে
যোগাযোগ করলে তারা এই বিষয়ে
কোন উওর না দিয়েই রহস্যজনক কারনে
ফোন কেটে দেয়|
তাহিরপুর থানার ওসি শ্রী
নন্দন কান্তিধর জানায়,চুরাই পাথর
পাচারের বিষয়টি আমার জানানেই
ট্যাকেরঘাটে আমাদের পাড়ি ক্যাম্প
আছে খোজঁ নিয়ে বিষয়টি দেখছি|

সুনামগঞ্জ ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন
লে.কর্ণেল নাসির উদ্দিন আহমেদ,
পিএসসি, জি, পদাতিক অধিনায়ক
জানায়,এই বিষয়ে আপনার কাছে প্রমাণ থাকলে পাঠান আমি পরবর্তীতে ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।