বীরগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে নূরজাহানকে গলা কেটে হত্যা

hotta-3

মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর : বীরগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে নূরজাহানকে গলা কেটে হত্যা করেছে খুনিরা। নিহতের মা ময়না’র ধারনা। বুধবার সকালে বীরগঞ্জ শালবাগানের গহীন জঙ্গল থেকে হত্যাকান্ডে নিহত নূরজাহানের গলা কাটা দেহ উদ্ধার করে হত্যার প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

101
বীরগঞ্জের পাল্টাপুর ইউপি’র ঘোড়াবান্দ আখিড়াদাঙ্গা’র মৃত বছির আলীর মেয়ে নূরজাহানের সাথে কাহারোল উপজেলার দহন্ডা গ্রামের মৃত মহিরের ছেলে হাসিনুলের ১৫/১৬ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তারা ৩ সন্তানের বাবা-মা। দরিদ্র পরিবার হলেও সামাজিক অবস্থান ভাল। হাসিনুলের মামা হুরমুছ আলী প্রভাবশালী এবং একাধিকবারের নির্বাচিত ইউপি মেম্বার। মেম্বারের বড় ছেলে আলিফ হোসেন একজন মাওলানা ও মাদ্রাসা শিক্ষক। আলিফ হোসেনের সাথে নূরজাহানের পরকিয়ার সম্পর্কের ঘটনায় বেশ কয়েকবার সালিস বৈঠক হয়েছে বলে নিহতের মা ময়না বেওয়া অভিযোগ করে জানান। মেম্বার ও তার স্ত্রী সন্দেহ বশত কয়েকবার নুরজাহানকে মারপিট করেছে। বৃদ্ধা ‘মা’ ময়না ও এলাকাবাসী জানান হাসিনুল হাবাগোবা প্রকৃতির সহজ সরল মানুষ, সে কখনো তার স্ত্রীকে হত্যা করতে পারেনা। প্রতিহিংসা জনিত কারণে পরিকল্পিতভাবে মেম্বার ও তার স্ত্রীসহ অন্য ভাড়াটে খুনি দিয়ে নূরজাহানকে হত্যা করেছে বলে তাদের ধারনা। অভিযুক্ত মেম্বার হুরমুছ আলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি এ সংক্রান্ত কিছুই জানিনা। এএসপি সার্কেল, বীরগঞ্জ, সুজন সরকার, ওসি আবু আক্কাছ আহমদ, ইন্সেপেক্টর তদন্ত ফকরুল ইসলাম, এসআই আনোয়ারুল ইসলাম, এসআই আযম হোসেন প্রধান, এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, এসআই উত্তম কুমার সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই কামাল হোসেন বাদী হয়ে ১৭(১১)১৬ নম্বর হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তকারী অফিসার আজম হোসেন প্রধান হত্যাকান্ডের ক্লু উদ্ধারে ব্যাপক তৎপড়তা চালাচ্ছেন বলে ওসি আবু আক্কাছ আহমদ নিশ্চিত করেছেন।