সেনাবাহিনীরেক্যাপ্টেন পরিচয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ

এস,এম,মিজান।। বরিশালে উজিরপুরে এক সেনাবাহিনীরেক্যাপ্টেন পরিচয় দিয়ে বরিশাল বি.এ কলেজের এক মেধাবী ছাত্রীকে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে এক বছর ধরে একাধি বার ধর্ষণ করেছে। এক পর্যায়ে গ শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই সেনা সদস্যে বাড়িতে কলেজ ছাত্রীকে ডেকে এন পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হাতপ বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাত চালিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা চেষ্টা চালায়। স্থানীয় লোকজন উজিরপুর থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ধর্ষক সেনাসদস্য পালিয়ে গেলেও তা পিতাকে পুলিশ আটক করেছে। এ ঘটনা শনিবার ওই কলেজ ছাত্রী বাদী হয় উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামল দায়ের করেছে। জানা গেছে ঢাক সেনানিবাসে ১৭-ইসিবি ইউনিটে কর্মর সেনা সদস্য মামুন হাওলাদার কৌশল বি,এম কলেজের এক মেধাবী সুন্দর ছাত্রীকে নিজে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বত কর্মকর্তার পরিচয়ে বিয়ের প্রলোভ দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয় একাধিকবার ধর্ষণ করে। এমনকি তাক বিদেশে মিশনে নেয়ার নামে পাসপোর্ পর্যন্ত করিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ও ছাত্রীকে খবর দিয়ে মামুনের গ্রামে বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলা গুঠিয়ার দোসতিনা গ্রামে নিয়ে আসে পরে তাকে আবারো ধর্ষণের চেষ্ট চালায়। এতে ব্যর্থ হয়ে সেনাসদস্য মামু পরিকল্পিতভাবে তার পিতা হারু হাওলাদার ও আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে ও ছাত্রীকে বেদম মারধর করে। এ পর্যায়ে হাত পা বেঁধে হত্যার চেষ্ট করে। স্থানীয় লোকজন ঘটনাটি দেখ থানা পুলিশে খবর দিলে উজিরপুর থানা ওসি (তদন্ত) ইকবাল হোসেন ও গুঠিয় ক্যাম্পের এস,আই কানাইলাল ও ছাত্রীকে উদ্ধার করে। এ সময় ধর্ষ সেনাসদস্যের পিতা হারুন হাওলাদারক আটক করে থানায় নিয়ে আসে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেনাসদস্ মামুনের আগে ৩/৪টি বিবাহ ছিল। ও পরিবারের চারিত্রিক কারণে অন্ স্ত্রীরা মামুনকে ছেড়ে চলে যেতে বাধ্ হয়। মামুনের এক ভাই মঠবাড়িয়া থানা বর্তমানে কর্মরত পুলিশের এ.এস.আ হাসানের ক্ষমতার দাপটে কেউই কো প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রী বলেন, মামু তার সাথে প্রতারণা করে তাক একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। শুক্রবা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যার চেষ্ট চালায় তার পিতা ও ভগ্নিপতি শান্তস অন্যান্য লোকজন নিয়ে। আমি ধর্ষ সেনা সদস্য মামুনের বিচার চাই উজিরপুর থানার ওসি গোলাম সরোয়া জানিয়েছেন, কলেজ ছাত্রী ধর্ষণে ঘটনায় সেনা সদস্য মামুনের বিরুদ্ধ মামলা দায়ের হয়েছে।